নতুন ব্লকবাস্টার হলিউডি মুভি: ‘পানামা পেপারস’

panama-papers

১। দুনিয়াজোড়া নতুন ব্লকবাস্টার হলিউডি মুভি মুক্তি পেয়েছে। মুভির নাম ‘পানামা পেপারস’। নায়ক, পরিচালক, প্রযোজক, ক্যামেরাম্যান এবং মিডিয়া পার্টনার, সব পশ্চিমা এস্টাব্লিশমেন্ট আর ভিলেন হল বাকি দুনিয়ার কিছু নামকরা মানুষ। ছবির প্রথম অর্ধেক সিনেমা হলগুলোতে দেখানো হয়েছে। এখন সাময়িক বিজ্ঞাপন বিরতি চলছে।

২। ব্যাবসা  বানিজ্যের  সফলতার একটা প্রধান উপায় ব্রান্ড ইমেজ দাড়া করা। পানামার ওকালতি কোম্পানির কাগজপত্র ফাস হওয়ার খবর আসার দুই এক দিনের মধ্যে খেয়াল করলাম করলাম,  মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলো একটা ব্রান্ড দাড়া  করায়ে ফেলেছে, ‘পানামা পেপারস’। যেটা আগের কোন গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ক্ষেত্রে হয়নি,  যেমন এডোয়ার্ড স্নোডেন এর ক্ষেত্রে ‘ স্নোডেন পেপারস’ বা ‘ম্যানিং পেপারস’। এ ধরনের দ্রুত এবং দুনিয়াজোড়া ব্রান্ডিং এর পেছনে খুব বড় কোন খেলোয়াড়ের সাপোর্ট না থাকলে হওয়ার কথা না। আর ব্রান্ডিং এর জন্য যে ছবিটা ব্যাবহার করা হয়েছে, একটা লোকের মাথার পেছন দিকে ছবি, মুখ দেখা যাচ্ছে না, চারিদিকে বেয়ারার বণ্ড পেপার উড়ছে বাতাসে। এখানেও সিনেমার সাসপেন্স, কে ওই লোকটা? আপনি নাতো? বা আপনার দেশের কোন বড়সড় কে আছে সিনেমায় ভিলেন হিসেবে?

(more…)

শিক্ষা!

ঢাকায় রাস্তাঘাটে ফুটপাথ দিয়ে হেটে চলার সময় প্রায়ই কোন না কোন ভিক্ষুক সালাম দিয়ে বলে, “স্যার একটু সাহায্য করেন” বা “স্যার দুইটা টাকা দেন” ইত্যাদি। ব্যাস্ত আমি বেশিরভাগ সময়ই, ‘মাফ করেন বা অন্যখানে দেখেন’ উত্তর দিয়ে পাশ কেটে চলে যাই।
 
আজ দুপুরে রাস্তার পাশের ফুটপাথে কি কারনে দাঁড়িয়ে আছি। দেখি এক ভিক্ষুক পাশ দিয়ে হেটে যাওয়া একজন পথচারীকে যথারীতি সালাম দিয়ে বলল, “স্যার একটু সাহায্য করেন” বা “স্যার দুইটা টাকা দেন” এরকম কিছু একটা। আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, ভদ্রলোক থেমে খুব পরিস্কার এবং ভদ্রভাবে সালামের উত্তর দিলেন ‘ওয়ালাইকুম আস সালাম’ বলে। তারপর পকেট থেকে দশটা টাকা বের করে ভিক্ষুকটার হাতে দিয়ে হেটে দিয়ে চলে গেলেন। আমি মুগ্ধ এবং অবাক। মধ্যবিত্ত মনে প্রথমেই যে চিন্তাটা আসল সেটা হল, ভদ্রলোলোক মনেহয় বিদেশে থাকেন। একটু ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম কোট প্যান্ট পড়া মাঝবয়সী মধ্যবিত্ব সাধারন চেহারার এক ভদ্রলোক।
 
ছোটবেলায় আমাদের শেখানো হয়েছে, কেউ সালাম দিলে সালামের উত্তর দিতে হয়, তবে সেই বেসিক নিয়মটা যে রাস্তার ভিক্ষুক এর জন্যও প্রযোজ্য, এই শিক্ষাটা আমার ছিল না।

সৌখিন ফটোগ্রাফার

IMG_20150421_194111

১। সন্ধ্যায় অফিস থেকে বের হয়ে একা একাই দৃকে গেছিলাম, একটা ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন দেখতে। বাংলাদেশে থাকা ৩৯টি বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেদের, যারা সৌখিন ফটোগ্রাফার, তাদের বাংলাদেশের উপরে তোলা ছবির প্রদর্শনী দেখতে। এক্সিবিশন এর টাইটেল “বাংলাদেশ থ্রু আওয়ার আইস”। একটু কৌতুহল আর একটু ভয়ে ভয়েই গেছিলাম । কৌতুহল একজন দেশী সৌখিন ফটোগ্রাফার হিসেবে, একজন বিদেশি সৌখিন ফটোগ্রাফার কিভাবে দেখে আমাদের দেশটাকে। আর ভয়েভয়ে কারন কতগুলা যে নেগেটিভ ছবি দেখতে হয় দেশের উপর। গুনে দেখলাম ৬৫টা ছবি আছে এক্সিবিশনে। অবাক হয়ে আবিষ্কার করলেম, তারমধ্যে ১ টা, ম্যক্সিমাম ২ ছবিকে নেগেটিভ ছবি ধরা যায়। বাকি গুলো বাংলাদেশের ও বাংলাদেশের মানুষের উপর বিভিন্ন ধরনের অন্য সব ছবি, যেগুলোকে অন্তত নেগেটিভ ছবি বলা যায় না। মন থেকে কৃতজ্ঞতা বোধ করলাম, এই বিদেশী সৌখিন ফটোগ্রাফারদের প্রতি, যে দেশে চাকরী করে, সেই দেশের প্রতি এই সামান্য সৌজন্যবোধ এর কারনে। (more…)

নো ম্যানস ল্যান্ড

no_mans_land‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ সিনেমাটা অনেক বছর আগে কোন এক টিভি চ্যানেল দেখছিলাম। তাও শুরু থেকে না। চ্যানেল পাল্টাতে পাল্টাতে কোন চ্যানেলে এক চ্যানেলে, সিনেমাটার মাঝখান থেকে দেখা শুরু করে আর শেষ না করে উঠতে পারিনি। ছবিটা শেষ হলে খানিকক্ষণ হতভম্ব হয়ে বসে ছিলাম। এটা কি হইলো? লোকটার এখন কি হবে? মনে আছে, তখন ছবিটা মনে বেশ ভালো দাগ কেটেছিল।

যখন প্রথম বার ছবিটা দেখি, তখন ছবিটার নাম জানতাম না। কয়েকদিন আগে ইন্টারনেটে মুভির সাইটে ঘোরাঘূরি করতে করতে, পোস্টার দেখে বুঝলাম এই ছবিটা অনেক আগে মাঝখান থেকে দেখেছিলাম। টরেন্ট সাইট থেকে মুভিটা নামায়ে এক নিঃশ্বাসে পুরা ছবিটা আবার দেখলাম আজকে। মনে হল অন্যদেরকে ছবিটার কথা বলা যেতে পারে, মানে যারা ছবি দেখে।

‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ সিনেমাটা হলিউডের সিনেমা না। বসনিয়ান ছবি। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা যুদ্ধের উপর ছবিটা। ১৯৯৫ এর দিকের যুদ্ধের মধ্যে, একদিনের সকাল থেকে সন্ধ্যার ঘটনা নিয়ে পুরো সিনেমাটা। সিনেমার কাহিনীটা সংক্ষেপে এরকম। বসনিয়ান এবং সার্বদের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এই দুইপক্ষের যুদ্ধের মধ্যে, এক সকালে, ফ্রন্টলাইনে নো-ম্যানস ল্যান্ডে এক পরিত্যক্ত ট্রেঞ্চে, একজন বসনিয়ান (‘চিকি’) এবং একজন সার্ব (‘নিনো’) আটকা পড়ে, আহত এবং সশস্ত্র অবস্থায়। ঐ ট্রেঞ্চে আরও একজন আহত বসনিয়ান (‘চিকির বন্ধু’) আটকা পড়ে একটা এক্টিভেট করা তাজা মাইন এর উপরে, যাকে আগে মৃত ভাবা হয়েছিল। ইইউ এর তৈরী মাইনটা একটু অন্যরকম, চাপ পড়লে মাইনটা এক্টিভেট হয়, কিন্ত সঙ্গে সঙ্গে ফাটে না। মাইনটা ফাটবে চাপটা সরে যাওয়ার সাথে সাথে, মানে যে আহত লোকটা মাইনের উপরে পড়েছে, সে যদি সব্রে যাওয়ার চেষ্টা করে।

(more…)

Do It Anyway

Do It Anyway

People are often unreasonable, irrational, and self-centered.
Forgive them anyway.
If you are kind, people may accuse you of selfish, ulterior motives.
Be kind anyway.
If you are successful, you will win some unfaithful friends and some genuine enemies.
Succeed anyway.
If you are honest and sincere people may deceive you.
Be honest and sincere anyway.
What you spend years creating, others could destroy overnight.
Create anyway.
If you find serenity and happiness, some may be jealous.
Be happy anyway.
The good you do today, will often be forgotten.
Do good anyway.
Give the best you have, and it will never be enough.
Give your best anyway.
In the final analysis, it is between you and God.
It was never between you and them anyway.

 

 

-this version is credited to Mother Teresa

হলিউডের সিনেমাগুলো

একটা মজার জিনিস খেয়াল করেছেন কিনা জানিনা। হলিউডের সিনেমাগুলো দুনিয়ার সব দেশের সব সামরিক বাহিনী, গেরিলা বাহিনী, বিদ্রোহী বা ট্রাডিশনাল পোশাক অনুকরন করে মেকআপ করানো হয় যোদ্ধাদের, বিভিন্ন যুদ্ধের মুভিগুলোতে। পজিটিভ এবং নেগেটিভ ভাবে। যখন যেভাবে করলে মগজ ধোলাই এর সুবিধা হয়।

বেসিকালি, হলিউড, পশ্চিমা সেনাবাহিনীর পোষাক গুলোর পজিটিভ ব্রান্ডিং করার চেষ্টা কব্রে। সাধারনত আমেরিকা বা ইউরোপিয়ান সেনাবাহিনীর ড্রেস পজিটিভ ভাবে দেখানো হয়। বাকী দুনিয়ার সব বাহিনীর ড্রেস নেগেটিভ ভাবে দেখানো হয় (একমাত্র তাদের কিছু তাবেদার বাহিনী ছাড়া)।

হলিউডের যুদ্ধের মুভিগুলো যেটা প্রচার করার চেষ্টা করে, পশ্চিমা সেনাবাহিনী হল সঠিক, সভ্য, মানবিক, ইথিকাল(!), আমাদের রক্ষাকর্তা এবং সবার উপরে অপরাজেয়। বাকি সবাই, যারা তাদের এন্টি, তারা হইল খারাপ এবং তাদের চেনার সহজ উপায় তারা এইরকম পোষাক পরে

এইসব প্রোপাগান্ডার উর্ধে আছে একটি বিশেষ দেশের সেনাবাহিনীর ড্রেস। ইসরাইলের। আজ প্রর্যন্ত কোন হলিঊডের সিনেমায় দেখলাম না কোন সেনাবাহিনী, গেরিলা বা বিদ্রোহীদের পরনে ইসরাইলী সেনাবাহিনীর অনুকরনে সবুজ-খাকী পোশাক/মেকআপ। হলিউডের বা অন্য কোন সিনেমার পরিচালকের সাহস নাই, ইসরাইলী সেনাবাহিনীর ড্রেস নেগেটিভ ভাবে দেখায় কোন ছবিতে।

কারো যদি এইসব দুনিয়াবিখ্যাত সিনেমার পরিচালকদের সাথে সাক্ষাত হয়, একটু জিজ্ঞেস করবেন আপানাদের ক্রিয়েটিভিটি এবং কল্পনাশক্তি কি কালার ব্লাইন্ড ইসরাইলী সেনাবাহিনীর সবুজ-খাকী পোশাকের ব্যাপারে?

সাকিবকে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ছয় মাসের জন্য।

সাকিবকে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ছয় মাসের জন্য। আর দেড় বছরের জন্য দেশের বাইরে খেলা থেকে। খবরটা কাল টিভি চ্যানেল এ দেখে হতভম্ব। সাকিব ঠিক করেছে না ভুল করেছে, বিসিবি ঠিক করেছে না ভুল করেছে, তা নিয়ে কোন মন্তব্য করবনা। শুধু মনে হচ্ছে অন্যভাবে পুরো বাপারটার অন্যভাবে, পরিনত ভাবে সমাধান করা যাইত। সাকিব এর চেয়ে আর একটু বেশী সম্মান এবং বিবেচনা পাওয়ার যোগ্য।

আমার কেন জানি পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জোতি বসুর কথা মনে হইল। তারে ভারতের প্রধান মন্ত্রীর অফার দেয়া হয়েছিল। কিন্ত তার পার্টি তারে অনুমতি দেয়নি, প্রধানমন্ত্রীর হইতে। সেই সময় নিশ্চয় তার পার্টির অন্য মুরব্বীরা, তাদের সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে কঠিন কঠিন যুক্তি দেখায়েছে (এখন যেমন বিসিবি দেখায়তেছে) । জোতি বসু প্রধানমন্ত্রী হইলে কোন উনি কোন লেভেলে যাইতেন, তা সম্পর্কে মনে হয় তার পার্টি নেতাদের দের ধারনা ছিলনা (অথবা তারা চাননি জোতি বসুর অত উপরে উঠূক) । অনেক দিন পরে সব কিছু শেষ হয়ে যাবার পরে, এই সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ বা ‘হিস্টোরিক ব্লান্ডার’ বলেছিলেন জ্যোতি বসু |

আমরা একটা সাকিব পাইছি ৪৩ বৎসরে। সাকিবের আগে কেউ কি কল্পনা করেছে আইসিসি র‍্যাংঙ্কিং এর টপে, দীর্ঘদিন ধরে কোন বাংলাদেশীর নাম!

সাকিবের ব্যান এর খবরে, একটা বহুল প্রচলিত জোক এর কথা মনে হইতেছে। বাংগালীরা নাকি যে দোজখে থাকে, সেই দোজখে নাকি কোন পাহারাদার লাগে না। কারন একজন দোজখ থেকে বের হতে চাইলে, বাকি সবাই মিলে ঠ্যাং ধরে নামায়ে আনে, ব্যাটা যাইতেছ কোথায়, আমাদের লেভেলেই থাক।

আমরা জাতিগত ভাবে মনে হয় দোজখের এই জোক এর উপরে উঠতে পারি নি। এই ‘জোক’ শব্দটা বাংলা বা ইংরেজী দুই ভাষারই ‘জোক’ শব্দ হিসবে ধরতে পারেন

তারেক মাসুদের ‘রানওয়ে’

তারেক মাসুদের ‘রানওয়ে’ ছবিটা দেখলাম। অসাধারন! অবিশ্বাস্য! জবান বন্ধ হয়ে গেছে ছবিটা দেখে। এই ভাঙ্গাচোরা দেশে, ভাঙ্গাচোরা যন্ত্রপাতি/প্রযুক্তি, ভাঙ্গাচোরা অভিনেতা নিয়ে, এককথায় ওয়ার্ল্ড ক্লাশ ছবি। প্রতিটা শটে পরিকল্পনার এবং মুন্সীয়ানার ছাপ স্পষ্ট, নিখূত এবং দুর্দান্ত । অভিনেতা/অভিনেত্রীরা বেশির ভাগই নতুন। অভিনেতা/অভিনেত্রী সিলেকশন এক কথায় দুর্দান্ত। আর তাদের অভিনয়ও চমৎকার। আর ক্যামেরার কাজ (মাশুক মূনিরের), লা জওয়াব, এক কথায় অসাধারন। ছবির শেষটাও হয়েছে চমৎকার। এর চেয়ে ভালো পজিটিভ ফিনিশিং হইতে পারত না। আমার পছন্দ হইছে।

ছবিটায় দারিদ্র, অভাব, অনটন আছে। কিন্ত যেটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে, আমাদের মানুষের দারিদ্র, অপমান আর অসম্মান বেচার কোন চেষ্টাই নাই ছবিটাতে (অনেকসময় বিকল্প ধারার ছবিগুলতে যা থাকে)। ছবির মূল চরিত্রগুলোর আপনার বা আমার দয়া বা করুনার দরকার নেই। তার নিজেরা (বা নিজেদের পরিবার) নিজেদের ভার বইতে সক্ষম। সুলতানের ছবির মানুষগুলোর মত।

তারেক মাসুদের মেধা, ম্যাচুরিটি আর লেভেলটা বোঝা ছবিটা দেখলে। নিসঃন্দেহে তারেক মাসুদ ওয়ার্ল্ড ক্লাশ মানের ডিরেক্টর। কস্ট একটাই তারেক মাসুদ নাই। এই মানের আর একটা ছবির বা আরেকটা তারেক মাসুদের জন্য বাংলাদেশকে মনে হয় অনেকদিন অপেক্ষা করতে হবে। এইরকম একটা ডিরেক্টর বাইরের কোণ দেশে জন্মাইলে তারে নিশ্চয় মাথায় করে রাখত। আমাদের দেশে যদি কেউ কিছু করতে তারে মনে রাখার জন্য।

এইসব ক্লান্তিনামা – হোসেইন(!!)

 

কতোরাত এভাবেই কেটে গেছে ,
এই জনপদের অলিতে গলিতে, নির্ঘুম ক্লান্ত দুচোখ ,

কুয়াশার চাদর গায়ে জড়ানো , কতোগুলো শীতার্ত রাত ,
ল্যাম্পপোস্টের মৃয়মান আলোয় একাকী দাড়িয়ে থাকা ,
প্রেয়সীর আলিঙ্গন আর উষ্ঞ বিছানাকে অবহেলায় রেখে
কতোবার বাশি ফুকে বলতে হয় ,
গৃহস্থ , হু–শি–য়া–র !
এভাবেই কেটে গেল কতো শতো কার্তিকের রাত ।
(more…)

আমি কোনো আগন্তুক নই | আহসান হাবীব

আসমানের তারা সাক্ষী
সাক্ষী এই জমিনের ফুল, এই
নিশিরাইত বাঁশবাগান বিস্তর জোনাকি সাক্ষী
সাক্ষী এই জারুল জামরুল, সাক্ষী
পূবের পুকুর, তার ঝাকড়া ডুমুরের পালে স্থিরদৃষ্টি
মাছরাঙা আমাকে চেনে
আমি কোনো অভ্যাগত নই
খোদার কসম আমি ভিনদেশী পথিক নই
আমি কোনো আগন্তুক নই
আমি কোনো আগন্তুক নই, আমি
ছিলাম এখানে, আমি স্বাপ্নিক নিয়মে
এখানেই থাকি আর
এখানে থাকার নাম সর্বত্রই থাকা –
সারা দেশে।
(more…)